ছাত্ররাজনীতি কেন নিষিদ্ধ করা হবেনা?

ঐতিহ্যবাহী ইডেন মহিলা কলেজে হচ্ছেটা কি? কয়েকদিন পর পর কেন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ইডেন মহিলা কলেজ? পূর্বে আমরা দেখেছি, ছাত্রলীগ কলেজে আধিপত্য বিস্তার করতে মারামারি করতো, সিট বাণিজ্য করতো, সাধারণ ছাত্রীদের হেনস্তা করতো। ছাত্রলীগ নামের সাথে এখন আরেকটা বিষয় যোগ করেছ সাধারণ ছাত্রীরা। আর সেটা হলো: কলেজের সুন্দরী ছাত্রীদের উপর শ্রেণির মনোরঞ্জনের জন্য পাঠাতে জোরজবরদস্তি করা। সূত্র: দৈনিক ঢাকাটাইমস, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শিরোনাম: কি হচ্ছে ইডেনে?

সিটবাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও অনৈতিক কাজে অভিযোগ উঠেছে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রীভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে । সর্বশেষ সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে ডেকে নিয়ে মারধর করে হল থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

ছাত্র রাজনীতির সুবর্ণ দিন কি বর্তমানে হারিয়ে যাওয়ার পথে? ছাত্রলীগ বলেন আর এমপি/মন্ত্রী-ই বলেন, সবাই এখন রাজনীতির নামে নিজের পেটনীতিতে ব্যস্ত। এই ‘নষ্ট পেটনীতিই’ সমাজনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। ফলে সমাজনীতিও এখন পেটনীতির মতো ‘ধান্দাবাজির’ অন্ধকার জগতে পরিণত হতে চলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায় প্রতিদিনই নানা অপকর্ম দিয়ে সংবাদপত্রের শিরোনাম হচ্ছে ছাত্রলীগ। সেদিক দিয়ে কলেজ শাখাগুলোর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অনেজ পিছিয়ে রয়েছে। আর এই পিছিয়ে থাকার দায় ইডেন ছাত্রলীগ নেত্রীরা অন্তর থেকেই অনুধাবন করতে পেরেছিলো। ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রলীগ নেত্রীরা হয়তো মনে করেছে যে, তাঁরা কেন পিছিয়ে থাকবে? শেষ পর্যন্ত সব ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে সরাসরি মাঠে নেমে পড়ে ইডেন ছাত্রলীগ নেত্রীরা। শেষ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগকে পিছনে ফেলে ইডেন ছাত্রলীগ পত্রপত্রিকার শিরোনামে চলে এসেছে।

সিট-বাণিজ্য ও চাঁদাবাজিতে ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না কেমন ‘অপ্রতিরোধ্য’ হয়ে উঠেছিল, সেটি প্রকাশ পায় তাঁর অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়া থেকেই। গত মাসে তামান্না কলেজের হলের এক রুমে সাধারণ ছাত্রীদের এভাবে হুমকি দিচ্ছিলো, ‘বেশি চ্যাটাং চ্যাটাং করতেছিস। এক পায়ে পারা দিমু, আরেক পা টাইনা ধইরা ছিঁড়া ফেলমু।…কে কে টাকা জমা দিছিস? আমারে দিছিস? আমি যদি একটা সিট না দিই, তোদের কোন বাপ সিট দেবে? ম্যাডামরা (হল প্রশাসন) দেবে? ক্ষমতা আছে ম্যাডামদের? কে কে টাকা জমা দিছিস? আমারে দিছিস?’ ( সুত্র: প্রথম আলো, ২০ আগস্ট)

এই অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর, সমালোচিত ছাত্রলীগ সভাপতি সেই তামান্নাই আবার দুই ছাত্রীকে মানসিক নির্যাতন করে পূনরায় খবরের শিরোনাম হয়। দুই ছাত্রীকে নির্যাতনের একপর্যায়ে বিবস্ত্র করে সেই ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল করার হুমকিও দেয় সে। ( সুত্র: প্রথম আলো, ২৪ আগস্ট)

একটি মহিলা কলেজে ছাত্ররাজনীতির নামে আড়ালে কী হচ্ছে বা সেখানকার সাধারণ ছাত্রীরা কীভাবে এর ভুক্তভোগী হচ্ছে? সেই বিষয়গুলো দেশের সচেতন জনগণকে অবশ্যই গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করছে বলে আমি মনে করি।

ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রীভা। ছবিঃ সংগৃহীত

ইডেনের ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্নাসহ শীর্ষ নেত্রীদের বিরুদ্ধে সিট-বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির চেয়েও ভয়াবহ অভিযোগ হচ্ছে—বিভিন্নভাবে ছাত্রীদের কুপ্রস্তাব দেওয়া।

গতকাল সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ইডেনের ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তারের একটি বক্তব্য ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যেখানে সে বলছে, সুন্দরী মেয়েদের রুমে ডেকে নিয়ে জোর করে আপত্তিকর ছবি তুলে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে সেগুলো ব্যবহার করে জোরপূর্বক অনৈতিক কাজ করতে তাঁদের বাধ্য করা হয়। ( সূত্র: প্রথম আলো, ২৬ সেপ্টেম্বর)

এখানে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই যে, দিনের পর দিন এত গুরুতর অভিযোগ থাকলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তামান্না ও রাজিয়ার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি ২৬ সেপ্টেম্বরের মারামারিতেও অপরাধীদের পক্ষ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সভাপতি তামান্না ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়ার প্রতিপক্ষ নেত্রীদের গণহারে বহিষ্কার করেছে। কলেজে মারামারি করল দুই পক্ষ, আর শাস্তি দেওয়া হল এক পক্ষকে। ইডেন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ।

ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রীভা। ছবিঃ সংগৃহীত

যারা অপরাধ করছে, যাদের বিরুদ্ধে কল রেকর্ডসহ সকল ধরণের প্রমাণ নেটে ঘুরপাক খাচ্ছে, তাদেরকে বহিস্কার করা হলো না। বহিস্কার করা হলো অভিযোগকারীদের।

কিন্তু কেন এরকম করা হলো? আড়াল থেকে কারা ছাত্রলীগের ছাবিকাটি নাড়ছে? তাদের পরিচয় কি? ইডেনের সভাপতি তামান্না সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া কাদের বাসায় , কোন কোন নেতার বাসায় ছাত্রীদের মন রঞ্জনের জন্য পাঠাতো? গণহারে বহিস্কার করা দেখেই বলা যায়, এদের সাথে কারা কারা জড়িত। আর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন অঙ্গসংঘঠনটির এসব অনিয়ম সহ্য করছে?

দেশের প্রায় সব পত্রপত্রিকায় উঠে এসেছে ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রীদের হেনেস্থার কথা, ছাত্রীদের আপত্তিকর ছবি তুলে রাখার কথা, ছাত্রীদের আপত্তিকর ছবি তুলে সে সব ছবি ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে পতিতাবৃত্তি করতে। আর এসব কাজের বিনিময়ে ছাত্রলীগ নেত্রীদের পাদ পদবী ঠিক থাকে।

বাবা মা’র কাছে তার সন্তানের নিরাপত্তার চেয়ে আর কি বড় হতে পারে? বেশ্যাবৃত্তির অভিযোগ উঠার পরও ইডেন কলেজের কোন ছাত্রীর অভিভাবককে প্রতিবাদ করে এগিয়ে আসতে দেখছি না। অভিভাবকরা কার ভয়ে প্রতিবাদে এগিয়ে আসছে না?

ছাত্র রাজনীতি কেন নিষিদ্ধ করা হবেনা?
ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রীদের নিয়ে মৌলবাদীরা সারাদেশে নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে, হাসি-তামাশা করছে। কিন্তু আমার কাছে ব্যাপারটা মোটেও হাসি-তামাশা করার মতো মনে হচ্ছে না।

সময় এসেছে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে কথা বলার। কেবল ছাত্রলীগ নয়, শিক্ষাঙ্গন থেকে সকল রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনকেই নিষিদ্ধ করতে হবে। এসব রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন দ্বারা কি শিক্ষা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো উপকার হচ্ছে? উপকার যা হচ্ছে, তা রাজনৈতিক দলগুলোর।

রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনগুলো দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ছাত্র রাজনীতির কবলে পড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কলঙ্কিত হচ্ছে। রাজনৈতিক দল করতে গিয়ে ছাত্ররা আদুভাই হচ্ছে। ছাত্রীরা খালা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের সাথে জড়িত শিক্ষার্থীরা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্ট করছে। এদের দ্বারাই শিক্ষাঙ্গন গুলোতে মাদক ও পতিতাবৃত্তি ছড়িয়ে পরছে।

ইডেন মহিলা কলেজ ও রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের কুকর্মগুলো ফাঁস হয়েছে বলে তা নিয়েই সারাদেশে আলোচনা হচ্ছে। তারমানে এই নয় যে, দেশের আর কোথাও রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের দ্বারা শিক্ষাঙ্গন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না! দেশের প্রায় প্রতিটা শিক্ষাঙ্গন-ই রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হয়তোবা সেগুলো প্রকাশ পাচ্ছে না বা প্রচার করা হচ্ছে না।

বুয়েটে ছাত্রলীগের রাজনীতি বন্ধ ঘোষণার পর থেকে বুয়েট শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বুয়েটের মতো দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র রাজনীতি হালাল করার পক্ষে যুক্তি সমূহ!
চেতনার ঠিকা নেওয়া চেতনাবাজরা বলে, এদেশের গর্ব করার মতো যা কিছু অর্জিত হয়েছে, তার সবই ছাত্রদের আন্দোলনের ফসল। যেমন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচনী প্রচার, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—এসব আন্দোলনই ছাত্রদের হাত ধরে এসেছে।

চেতনাবাজদের বিপক্ষে দ্বিমত পোষণ করার কোনো সুযোগ নেই। তাপরও চেতনাবাজদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, ১৯৯১ সালের গণতন্ত্র কায়েমের পর থেকে আর কী কী অর্জন করেছে ছাত্ররা?

দেশে ছাত্ররাজনীতির একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস ছিল সত্য। ১৯৯০ সালের পর থেকে যে ছাত্র রাজনীতি আমরা দেখছি, সেই ছাত্র রাজনীতি কখনো জাতীয় রাজনীতির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেনা।

১৯৯০ সালের পর থেকে ছাত্র রাজনীতি ক্ষমতাসীন দলের পকেটে চলে গেছে। রাজনৈতিক দলের নেতা তাদের নিজেদের স্বার্থে ছাত্রদের ব্যবহার করছে। ৯০ এর দশকের থেকেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস একবার ছাত্রদলের হাতে, আরেকবার ছাত্রলীগের হাতে গিয়েছে। যেহেতু ২০০৯ সালের পর থেকে আওয়ামিলীগ ক্ষমতাসীন রয়েছে, তাই ছাত্রলীগ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি হারাম হওয়ার পক্ষে যুক্তি সমূহ!
আমি কয়েকজন চেতনাবাজকে বলেছিলাম, ১৯৯০ সালের পর থেকে ছাত্র রাজনীতির কিছু সুফলের গল্প বলুন। তখন তারা সবাই চুপ। কারণ সুফল থাকলে না বলবে। ১৯৯০ সালের পর থেকে, ছাত্ররাজনীতির নেতৃত্বে যারা রয়েছে, শুধুমাত্র তাঁদের ব্যক্তিগত অর্জনের গল্পই সব। সেটা নির্দিষ্ট কোনো ছাত্রসংগঠনের দিকে আঙ্গুল দিয়ে বলার সুযোগ নেই। যখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে, সেই দলের সোনার ছেলেরা যা ইচ্ছা তাই করেছে।

১৯৯০ সালের পর থেকে জাতীয় স্বার্থে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এগিয়ে এলে, শিক্ষাঙ্গনে থাকা রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাতে বাঁধা প্রধান করেছে।

১৯৯০ সালের পর থেকে জাতীয় স্বার্থে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এগিয়ে এলে, শিক্ষাঙ্গনে থাকা রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাতে বাঁধা প্রদান করেছে। আমি উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই থেকে ৮ আগষ্টের ছাত্র আন্দোলনের কথা।

শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন ও অবরোধ করতে চাইলেও দুর্ঘটনার পরদিন থেকেই পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের পাশাপাশি ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রছাত্রী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রছাত্রীরা শান্তিপূর্ণভাবে যে মানববন্ধন ও অবরোধ করতে চেয়েছিল, সেটা কি জাতীয় স্বার্থে ছিলনা? তাহলে সেই শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে ছাত্রলীগ বাঁধা দিয়েছিল কেন?

১৯৯০ সালের পর ছাত্র রাজনীতির সুফল শুধুমাত্র তাদের নিজেদের স্বার্থেই। বিন্দুমাত্রও জাতীয় স্বার্থে নয়।

দেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শতশত সমস্যা রয়েছে। ছাত্রলীগ কি কখনো সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণে একটি দাবি জানিয়েছে? যেমন, খাবারের মান উন্নয়ন, আসন সংকট নিরসন, ভর্তি ফি কমানো কিংবা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রভৃতি কারণে কি ছাত্রলীগ কখনো সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে?

ছাত্রলীগ কি কখনো কোঠা বিরোধী আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে? ছাত্রলীগ কি কখনো নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে?

ছাত্রলীগ যদি এসব আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের পাশে না থাকে, তাহলে কেন এই ছাত্র রাজনীতি? ছাত্রলীগ তো এসব আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের পাশে ছিলই না, বরং তারা পুলিশের পক্ষ নিয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের নির্যাতন করেছে।

Leave a Comment