নারী স্বাধীনতা ও নারী মুক্তির জন্য আত্মোৎসর্গ করা এক নারী তসলিমা নাসরিন

ভারতীয় উপমহাদেশের একমাত্র আপোসহীন নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি তার ‘নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য’ বইটির মুখবন্ধে লিখেছেন, এই সমাজের চোখে নিজেকে আমি ‘নষ্ট’ বলতে ভালবাসি। …নারীর শুদ্ধ হওয়ার প্রথম শর্ত ‘নষ্ট হওয়া’। ‘নষ্ট’ না হলে এই সমাজের নাগপাশ থেকে কোনও নারীর মুক্তি নেই। সেই নারী সত্যিকারের সুস্থ ও মেধাবী মানুষ, লোকে যাকে নষ্ট বলে।
আমার মতে, মানবতার আলোকশিখা, আপোষহীন নারীনেত্রী তসলিমা নাসরিন নিজে নারী হওয়ার সুবাদে বিভিন্ন সময় আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজে নারীদের কি আকাংখা বা কি চাহিদা কিংবা নারীরা কি কি সমস্যা ফেইস করছে তা তিনি নিজেকে দিয়েই উপলব্ধি করতে পেরে নিজের সাহিত্য কর্মের মাধ্যমে সেই চাহিদা, আকাংখা বা সমস্যার কথা প্রকাশ করছেন।

তসলিমা নাসরিন সব ধরণের মৌলবাদকে নারীদের অগ্রযাত্রার প্রধান অন্তরায় মনে করেন। তাই তো তিনি সব ধরণের মৌলবাদী রাষ্ট্রের বিরোধী। আর সেজন্যই তসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে আমাদের বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষিপ্ত ধর্মান্ধ মৌলবাদীরা। কারণ ধর্মান্ধদের ধর্ম ব্যবসা ছাড়া বিকল্প কোনো পুঁজি নেই। মৌলবাদীরা তন্ত্রে-মন্ত্রে বিশ্বাসী, তাবিজ-তোম্বায় বিশ্বাসী, জারফুকে বিশ্বাসী। আর তসলিমা নাসরিন ধর্মান্ধদের সেই একমাত্র ধর্ম ব্যবসার মূলে হাত দিয়েছেন।

এই সমাজের চোখে নিজেকে আমি ‘নষ্ট’ বলতে ভালবাসি।….নারীর শুদ্ধ হওয়ার প্রথম শর্ত ‘নষ্ট হওয়া’। ‘নষ্ট’ না হলে এই সমাজের নাগপাশ থেকে কোনও নারীর মুক্তি নেই। সেই নারী সত্যিকারের সুস্থ ও মেধাবী মানুষ, লোকে যাকে নষ্ট বলে! তসলিমা নাসরিন উপরোক্ত কথাগুলো কেন বললেন? আমি প্রথমেই তসলিমা নাসরিনের উপরোক্ত কথাগুলো বলার কারণ ব্যাখ্যা করছি।

নব্বইয়ের দশকে নারী নির্যাতন মহামারী আকার ধারণ করেছিল। ধর্ষিত হতো ছাত্রী, শিশু, যুবতী, আয়া, বুয়া, গৃহবধু। রাস্তা ঘাটে, চলন্ত বাসে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটতো এই পৈচাশিক নারী নির্যাতনের ঘটনা। কোথাও নারীরা নিরাপদ ছিল না। এ ক্ষেত্রে ছিলনা বয়স, স্থান, কাল, পাত্রের ভেদ। বাসের ভেতরে ধর্ষিত হহতো মেয়েরা,শিক্ষাঙ্গনে যৌন নির্যাতনের শিকার হতো শিক্ষার্থীরা, এমপির কথিত এপিএসের দ্বারাও এদেশে ধর্ষিত হতো যুবতীরা। এই ছিল আমাদের সমাজ বাস্তবতার এক করুন চিত্র। কিছু মানুষরূপী নরপশু সভ্যতার ভাবধারাকে পাল্টে দিতে হায়েনার নখ মেলে বসেছিল।

হাজারো অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেও কখনো কোনো নারী সেই পুরুষদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতো না। পুরুষতান্ত্রিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলতো না। যারা বলতো তাদের মুখ বিভিন্নভাবে বন্ধ করে দেওয়া হতো।

এরপরও যদি ২/১ জন নারী সাহস করে প্রতিবাদ করতে চাইতো, তাহলে সেই প্রতিবাদী নারীদের বিরুদ্ধে খারাপ মানুষদের লেলিয়ে দেওয়া হতো। সেই প্রতিবাদী নারীদের নষ্ট মেয়ে বলে প্রচার করা হতো। ধর্ষিতা নারীকে নিয়ে আজে বাজে কথা রটনা করতো। ধর্ষকদের পক্ষ নিয়ে, ধর্ষিতা নারীর পোশাক-আশাক, ‘স্বভাব-চরিত্র’, একাকী ‘অসময়ে’ পথে চলার দুঃসাহস নিয়ে কটাক্ষ করে কার্যত ধর্ষকদের অপরাধ স্বীকার করতো না।
যার ফলে ধর্ষিত হওয়ার/শ্লিলতাহানির পরও পরিবার থেকে বলা হতো চুপ থাকতে। কাউকে না জানাতে। কারণ, লোকে জানলে বলবে নষ্ট মেয়ে, বিয়ে-শাদি হবেনা।
কারণ শ্লীলতাহানি বা ধর্ষিতা নারীদের সমাজ নষ্ট নারী বলেই জানতো এবং প্রচার করতো। যার ফলে একই নারী হাজার বার ধর্ষিত হলেও তার/তাঁদের দুর্গতির কথা মুখ ফুটে কাউকে বলতে পারতো না। পুলিশের কাছে অভিযোগ করা তো দুরের কথা। কারণ ধর্ষিত হবার কথা কাউকে না জানাতে ধর্ষিতা নারীর পরিবার থেকেই বলা হতো। ধর্ষিতা নারীর পরিবার চাইতো, মেয়েটা যাতে সমাজে নষ্ট মেয়ে বলে পরিচিত না হয়।

নারী জাগরণের অদ্বিতীয় অগ্রদূত তসলিমা নাসরিন

মানবতার আলোকশিখা, আপোষহীন নারীনেত্রী তসলিমা নাসরিন সেই নব্বইয়ের দশকে ধর্ষিতা ও নির্যাতিত নারীদের পাশে এসে দাড়িয়েছিলেন এবং হাতে কলম তুলে নিয়েছিলেন ধর্ষিতা ও নির্যাতিত নারীদের পক্ষে। বলেছিলেন, একজন নারী ধর্ষিতা হওয়ার পরেও চুপ থাকা মানে, নতুন করে লক্ষ লক্ষ নারীকে ধর্ষিতা হওয়ার সুযোগ তৈরী করে দেওয়া। তসলিমা নাসরিন বাঙ্গালি নারীদের উৎসাহ দিতে নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো জনসম্মুখে তুলে ধরে প্রতিবাদ করা শুরু করেছিলেন।

নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করায় কিছু কিছু মুর্খ তসলিমা নাসরিনকে নষ্ট মেয়ে বলে থাকে। যে যেসব সাধু-সন্ন্যাসীরা মানবতার আলোকশিখা তসলিমা নাসরিনকে নষ্ট বলে, প্রকৃতপক্ষে তারাই চরিত্রহীন, লম্পট ও নষ্ট।

কে এই তসলিমা নাসরিন?

নারী জাগরণের অগ্রদূত, আপোষহীন নারীনেত্রী তসলিমা নাসরিন ১৯৬২ সালের ২৫ আগষ্ট ময়মনসিংহ জেলা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রজব আলী পেশায় একজন নামকরা চিকিৎসক ছিলেন। স্যার রজব আলী ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের একজন সনামধন্য অধ্যাপক। এবং মা ইদুল আরা ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয় ছিলেন। ১৯৭৬ সালে ময়মনসিংহ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল থেকে তিনি কৃতিত্বের সাথে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পাশ করেন। ১৯৭৮ সালে আনন্দ মোহন কলেজ থেকে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পাশ করেন। এরপর তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে ১৯৮৪ সালে এমবিবিএস পাস করেন।

বাংলার বাঘিনী তসলিমা নাসরিন

ডাক্তারি পাশ করার পর তসলিমা নাসরিন ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সরকারি গ্রামীণ হাসপাতালে স্ত্রীরোগের ডাক্তার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের চিকিৎসক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

হাসপাতালগুলোতে ডাক্তার হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় তসলিমা নাসরিন প্রত্যক্ষ করেছিলেন ধর্ষিতা নারীদের অসহনীয় যন্ত্রণা। দেখেছিলেন কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ার অপরাধে নব্য প্রসূতি মাকে স্বামী, শাশুড় শাশুড়ী কতৃক কত অপমান করতে। তসলিমা নাসরিন তাদের বুঝাতেন, মেয়ে বা ছেলে জন্ম দেওয়ার জন্য অপরাধী সন্তানের মা নয়, বাবা। তিনি তাদের বুঝিয়ে বলতেন, যেকোনো সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য একমাত্র দায়ী সন্তানের বাবা।
তখনকার ধর্মান্ধ মুর্খ মানুষেরা কি আর এসব বুঝতো? তসলিমা নাসরিনের এসব বুঝানোটা ছিল অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করার মত।

তসলিমা নাসরিনের দাম্পত্য জীবন

১৯৮১ সালে তসলিমা নাসরিন কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর প্রেমে পড়েন, এবং ১৯৮১ সালের ২৯ জানুয়ারি বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন কাউকে না জানিয়ে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্কে গোপনে বিয়ে করেন। ১৯৮৬ সালে তাদের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে। পরে ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খানের সাথে লেখিকার বিয়ে হয় এবং ১৯৯১ সালে তাদের দাম্পত্য জীবনের অবসান হয়। এরপর ১৯৯১ সালে সাপ্তাহিক বিচিন্তা’র সম্পাদক মিনার মনসুরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন লেখিকা তসলিমা নাসরিনের এবং ১৯৯২ সালে তাদের তাদের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে। এরপর তিনি আর বিয়ে করেন নি।

তসলিমা নাসরিনের সাহিত্য জীবন

সাহিত্যজীবনের শুরুর দিকে তসলিমা নাসরিন মূলত কবিতা লিখতেন। ১৯৭৫ সাল থেকেই বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯৮৬ সালে শিকড়ে বিপুল ক্ষুধা নামক তার প্রথম কবিতা সংকলন প্রকাশিত হয়। কলেজে পড়া অবস্থায় ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত সেঁজুতি নামক একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন তিনি। ১৯৮৯ সালে নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে এবং ১৯৯০ সালে আমার কিছু যায় আসে নামক কাব্যগ্রন্থগুলো প্রকাশিত হয়। এসময় তিনি নঈমুল ইসলাম খানের সম্পাদিত খবরের কাগজ নামক রাজনৈতিক সাপ্তাহিকীতে নারী অধিকারের বিষয়ে লেখা শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে অতলে অন্তরীণ, বালিকার গোল্লাছুট, বেহুলা একা ভাসিয়েছিল বেলা, নষ্ট মেয়ের নষ্ট গল্প ও লজ্জা নামক পাচটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়। লজ্জা উপন্যাসের মাধ্যমে তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশের মুসলমানদের দ্বারা সংখ্যালঘু একটি হিন্দু পরিবারের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। এছাড়াও তার আরও অনেক প্রবন্ধ ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।

পুরস্কার ও সম্মাননা

তসলিমা নাসরিন তার উদার ও মুক্তচিন্তার মতবাদ প্রকাশ করায় দেশ-বিদেশ থেকে অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

সেগুলো হলো:

আনন্দ সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯২ এবং ২০০০।
নাট্যসভা পুরস্কার, বাংলাদেশ, ১৯৯২
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট কর্তৃক শাখারভ পুরস্কার, ১৯৯৪
ফ্রান্স সরকার প্রদত্ত মানবাধিকার পুরস্কার, ১৯৯৪
ফ্রান্সের এডিক্ট অব নান্তেস পুরস্কার, ১৯৯৪
সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল পেন কর্তৃক কার্ট টুকোলস্কি পুরস্কার, ১৯৯৪
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ কর্তৃক হেলম্যান-হ্যামেট গ্রান্ট সম্মাননা, ১৯৯৪
নরওয়েভিত্তিক হিউম্যান-এটিস্ক ফরবান্ড কর্তৃক মানবতাবাদী পুরস্কার, ১৯৯৪

তসলিমা নাসরিনের নারীমুক্তির আন্দোলন কতটা সফল হয়েছে?

আশি ও নব্বইয়ের দশকে নারীমুক্তির একমাত্র কন্ঠস্বর ছিলেন তসলিমা নাসরিন। তিনি নারীর ওপর নিপীড়ন ও শোষণের বিরুদ্ধে সর্বদাই সোচ্চার ছিলেন। তিনি নারীমুক্তির জন্য, আন্দোলন গড়ে তুলেছেন, এবং এক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত সফল হয়েছেন। নারীমুক্তির জন্য তসলিমা নাসরিন যে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন, সেই আন্দোলন বেগম রোকেয়া গড়ে তুলতে পারেননি। তবে তসলিমা নাসরিন ও বেগম রোকেয়া দুজনেই ধর্মকে নারীমুক্তির প্রধান অন্তরায় মনে করতেন।

বেগম রোকেয়ার চেয়ে তসলিমা নাসরিনের আরেকটি সার্থকতা হলো, তসলিমা তার নিজের চিন্তাধারার আলোকে একটি নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে পেরেছেন। যেট আর কোনো নারীমুক্তির আন্দোলনকারীরা করতে পারেন নি।

মানবতার আলোক শিখা তসলিমা নাসরিন

তসলিমা নাসরিনের নারীমুক্তির আন্দোলনের ফলে নারীরা কি লাভবান হয়েছেন?

বাঙ্গালি নারীরা আশির দশকের মতো আর বোকা নেই। নারীমুক্তির জন্য সোচ্চার তসলিমা নাসরিন গল্প কবিতা ও উপন্যাসের মাধ্যমে বাঙ্গালি নারীদের সচেতন করে দিয়েছেন। তসলিমার নারীবাদী লেখনির ফলে বর্তমানে নারীরা নিজ অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়েছেন। যার কারণে নারীরা বুঝতে শিখেছেন, কোন সিদ্ধান্ত তারা নিবেন এবং কোন সিদ্ধান্ত তারা নিবেন না। নারীরা বুঝতে শিখেছেন, ‘জীবন যেহেতু আমার, কাজেই সিদ্ধান্তটাও আমার’।

তসলিমা নাসরিনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো নিজের চিন্তাধারার সাথে কোনো অবস্থাতেই আপোষ না করা। সেটা ইতিবাচকেই হোক বা নেতিবাচকই হোক না কেন! তিনি যদি আপোস করতে জানতেন, তাহলে মৌলবাদীদের সাথে তার সম্পর্ক এতোটা খারাপের দিকে যেতোনা।

সাহিত্যে কিংবা শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য তসলিমা নাসরিন

মৌলবাদীদের কাছ থেকে বারবার হত্যার হুমকি পাওয়া পরেও থেমে যাননি আপোষহীন নারীনেত্রী তসলিমা নাসরিন। তিনি ভয়কে জয় করে নারী নির্যাতন, নিপীড়ন বিরুদ্ধে তার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। মৌলবাদীদের কাছ থেকে বারবার প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার পরেও তিনি অটল ও অবিচল রয়েছেন নারীর অধিকার নিয়ে। নির্বাসনের জীবন বেঁচে নিয়েছেন। তারপরও মৌলবাদীদের সাথে কোনো আপোষে জাননি তিনি। ভারতে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি। নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার জন্য পাকিস্তানের মালালার চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছেন তসলিমা। এপর্যন্ত যতজন শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন বা পাবেন। তাদের মধ্য সর্বশ্রেষ্ঠ হবেন সেই তসলিমা নাসরিন।

10 thoughts on “নারী স্বাধীনতা ও নারী মুক্তির জন্য আত্মোৎসর্গ করা এক নারী তসলিমা নাসরিন”

  1. Hey there just wanted to give you a quick heads up and
    let you know a few of the images aren’t loading correctly.
    I’m not sure why but I think its a linking issue.
    I’ve tried it in two different web browsers and both show
    the same results.

    Reply
  2. তসলিমা নাসরিন একজন বেশ্যা মহিলা। তার সম্পর্কে আপনি যতই গুণগান গান না কেন,, তাকে মানুষের চোখে ভালো বানাতে পারবেন না

    Reply
    • আপনি মনে হয় সম্পূর্ণ লেখাটা ভালো করে পড়েন নাই। তসলিমা নাসরিন নিজেই নিজেকে নষ্টা মেয়ে বলেছেন। সো আপনার তাকে নতুন করে বেশ্যা বলার প্রয়োজন নেই

      Reply
  3. তসলিমা নাসরিন একজন নাস্তিক। আর আপনি হলেন একজন নব্য নাস্তিক

    Reply
    • আমি জানিনা, আপনি আসলে নাস্তিকের সংজ্ঞা জানেন কিনা!! আপনার দৃষ্টিতে সত্য কথা বললে যদি নাস্তিক হয়, তাহলে আমার কিছু বলার প্রয়োজন নেই

      Reply
    • আপনি মনে হয় সম্পূর্ণ লেখাটা ভালো করে পড়েন নাই। তসলিমা নাসরিন নিজেই নিজেকে নষ্টা মেয়ে বলেছেন। সো আপনার তাকে নতুন করে বেশ্যা বলার প্রয়োজন নেই

      Reply
  4. কত আস্তিক দেখলাম, নাস্তিক দেখলাম
    সবাই শুধু ধর্ষণই করে যাচ্ছে। ঝগড়াই করে যাচ্ছে। একটার পাছায় আরেকটায় আঙ্গুল দিচ্ছে। অশান্তিময় করে তুলছে ধরণীটাকে। এখন আর আস্তিক নাস্তিক কিছুই ভাল লাগে না।

    Reply
  5. তসলিমা নাসরিন কুরআন শরীফের বিন্দু মাত্র পাঠ না করেই বাগাড়ম্বড়ই করেছেন এবং বাদানুবাদের মধ্য দিয়ে নিজের মূর্খতাকে বিশ্বের মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। তসলিমার দাবী যে তিনি এই জন্যই নামাজ পড়েন না যে কুরআনে আল্লাহ মিথ্যা কথা বলেছেন (নাউজুবিল্লাহ)। এবং আল্লাহ বলেছেন, ‘সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।’ আর বিজ্ঞান বলছে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে। অথাৎ তসলিমাকে যদি কুরআন শরীফ খুলে দেখিয়ে দেওয়া হয় যে সেখানে লেখা আছে এই মহাবিশ্বে যা কিছু আছে তা প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষপথে পরিভ্রমণ করছে তাহলে তিনি আল্লাহকে সত্যবাদী বলে মনে করবেন এবং তিনি নামাজ পড়া শুরু করবেন। তাই তো ?

    Reply

Leave a Reply to সাহিত্য চর্চা Cancel reply