বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় মন্ডল

শিক্ষাই যদি হয় জাতির মেরুদন্ড। তাহলে শিক্ষক হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। প্রতিটি জাতির নতুন প্রজন্মকে আলোর পথ দেখান শিক্ষকরা। কাজেই শিক্ষকদের জাতির বাতিঘরও বলা হয়। বর্তমান যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। তাই আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্বটা অনেক বেশি। বিজ্ঞান শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়ন অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা ও পৃথিবীর নিয়মকানুন জানা ও শিখাটা যেমন জরুরী। ঠিক তেমনি নতুন প্রজন্মকে সত্য অনুসন্ধান, সঠিক যুক্তি গ্রহণ এবং ভ্রান্ত চিন্তা/পথ পরিহার করে আধুনিক জীবনযাপনে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন বিজ্ঞান শিক্ষকেরা। আর এই বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসারিত হলেই অবসান হবে মানুষের সাম্প্রদায়িক ধ্যান ধারণার।

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা কোনদিকে অগ্রসর হচ্ছে? বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজেই বা কেমন আছেন? অথবা বিজ্ঞান শিক্ষার বিস্তারে বাংলাদেশ কতটুকু অগ্রসর হতে পেরেছে? বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থার নামে দেশের সর্বত্র যা কিছু চলমান তার সাথে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্পর্ক আছে বলে বিশ্বাস করতে আমার কষ্ট হয়। ইউরোপের দেশগুলোতে যখন বিজ্ঞান শিক্ষা বিকশিত হয়েছে, আমাদের দেশে এখনো বিজ্ঞান শিক্ষা মধ্যযুগের মত অন্ধকারে আছন্ন। প্রমাণ হিসাবে বলতে পারি, সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক হৃদয় কুমার মন্ডলের কথা।

বিজ্ঞানের শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল নাকি বিজ্ঞান ক্লাসে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলেন। বিজ্ঞান ক্লাস চলাকালে যা একজন শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে। বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান শিক্ষকের শাস্তি ও অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে ইসলাম ধর্মের ওপর আঘাত করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এনে বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর এক কর্মচারী বাদী হয়ে বিজ্ঞানের শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকেদেন। এরপর ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় বিজ্ঞানের ওই শিক্ষককে।

যে তথ্যপ্রমাণের ওপর ভিত্তি করে এই মামলাটি দাঁড় করানো হয়েছে, সেই অডিও রেকর্ডটির কথোপকথন শুনলে পরিস্কার বোঝা যায় যে, বিজ্ঞানের শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল তার ক্লাসে বিজ্ঞান নিয়েই কথা বলছিলেন। ধর্ম নিয়ে কোনো কথা তিনি বলেননি! উল্টো অপ্রাসঙ্গিকভাবে কয়েকজন ছাত্র বারবার ধর্মের প্রসঙ্গে তুলেছে এবং তারা শিক্ষককে উত্তেজিত করে ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর কিছু বলাতে চেয়েছে। আর একরকম বাধ্য হয়েই বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল ছাত্রদের করা অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মাত্র। ছাত্রদের করা অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর কিছু বলেছেন কি না সেই অডিও রেকর্ডে কিছু শোনা যায়নি। তাই আমার কাছে এই প্রসঙ্গটিই এখানে অবান্তর মনে হচ্ছে।

চিন্তা করার বিষয় এই যে, একজন শিক্ষক বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও তথ্যের ভিত্তিতে যেকোনো একটা বিষয়কে ব্যাখ্যা করবেন। বা ব্যাখ্যা করার অধিকার তার আছে। সেখানে তাকে এমন একটা প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে কিছু ষড়যন্ত্রকারী শিক্ষার্থী, যার সঙ্গে বিজ্ঞান বা ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। অত্যন্ত উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই একটা সাম্প্রদায়িক বিতর্ক সৃষ্টি করতে এমন একটা নাটক তৈরি করা হয়েছে।

চিন্তা করার বিষয় এই যে, একজন মানুষ গড়ার কারিগরকে কিছু বিপথগামী শিক্ষার্থীর ষড়যন্ত্রের কারণে গ্রেফতার করে কারাগারে রাখা জাতির জন্য কতটুকু লজ্জার বিষয়? একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বিপথগামী শিক্ষার্থীদের এই হীন কাজটি কতটুকু অসম্মান ও অমর্যাদাকর?

১৯ দিন কারাবাসের পর জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বের হচ্ছেন বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় মন্ডল

ক্লাস চলাকালে পরিকল্পিতভাবে একজন ছাত্র দাবি করল, স্যার বিজ্ঞান তো কোরআন থেকে উৎপত্তি হয়েছে। আর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আমাদের পেয়ারের নবী মোহাম্মদ। স্যার অত্যন্ত সাবলীল বাংলায় ছাত্রকে বললেন, ধর্ম আর বিজ্ঞান আলাদা বিষয়। কোনো ধর্ম থেকেই বিজ্ঞানের উৎপত্তি হয়নি। ধর্ম হল বিশ্বাস, আর বিজ্ঞান হল পরীক্ষিত ও প্রমাণিত সত্য। বর্তমান যুগের নব্বই ভাগ বিজ্ঞানী ইহুদী খ্রিস্টান। এই ইহুদী খ্রিস্টান বিজ্ঞানীরা তো আর করআন পড়েনা। স্যারের এমন বক্তব্য একজন গোপনে রেকর্ড করল। ক্লাসের সব ছাত্রছাত্রী মিলে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করল যে, বিজ্ঞান স্যার আমাদের ধর্ম ও নবীকে অবমাননা করছে। প্রধান শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ শুনে বিজ্ঞান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এবং নোটিশে তিনদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। কিন্তু ছাত্রছাত্রীরা তিনদিন অপেক্ষা করল না। তারা বিক্ষোভ শুরু করল। বহিরাগতদের খবর করে আনল বিক্ষোভে যোগ দিতে। বিক্ষোভ শুরু হলো: ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই। মালাউনের ফাঁসি চাই। এতটুকু ছেলেরা এতোটা সাম্প্রদায়িক কিভাবে হলো? এই প্রশ্নের উত্তরে শুধু এতটুকুই বলা যায় যে, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশটাকে খুব গভীর থেকে তালেবান শাসনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছোট ছোট কোমলমতি শিশুরাও এখন হিন্দু মুসলিম বিভাজন করতে শিখে গেছে।

শিক্ষক নিগ্রহে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তার কয়েকজন ছাত্র। দশম শ্রেণির ছাত্র হিসাবে বয়স আনুমানিক পনের কি ষোল বছর হবে। এই অল্প বয়সেই তারা জড়িয়ে পড়েছে অপরাধে জগতে। নিজেদের শিক্ষককে বারবার প্রশ্নোত্তরে জর্জরিত করে শিক্ষকের সেই বক্তব্যকে আবার গোপনে রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে দেশজুড়ে। বহিরাগত লোক এনে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে। লিখিত অভিযোগ দিয়েছে প্রধান শিক্ষকের কাছে। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার আগেই পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করেছে। আটকের দুইদিন পর মামলা দায়ের হলে সে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অডিও রেকর্ড শুনলে স্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, প্রশ্নকারী শিক্ষার্থীরা বেশ প্রস্তুতি নিয়েই শিক্ষককে প্রশ্নগুলো করেছে। শিক্ষক মণ্ডলও স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন। যেখানে বিজ্ঞানের প্রমাণিত বিষয়কেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন। শিক্ষার্থীর প্রশ্নের ধরণ গুলো শুনলে তাদের দশম শ্রেণির ছাত্র বলে মনে হয়না। কোনো ধরণের পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া দশম শ্রেণির ছাত্ররা এটা করতেই পারেনা। এখানে একটা লক্ষণীয় বিষয় হলো: শিক্ষক যখন বিজ্ঞানকে প্রমাণভিত্তিক জ্ঞান বলছিলেন তখন কয়েকজন শিক্ষার্থী বারবার ধর্মকে টেনে এনেছে।

‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগের এই ঘটনার সঙ্গে পূর্বের কিছু ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া, বহিরাগতদের মিছিলে অংশগ্রহণ, শাস্তির দাবি, তদন্তের আগেই ভিকটিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া, আটকের পর মামলা দেওয়া, মামলা দায়ের পর গ্রেফতার দেখানো এবং গ্রেফতারের পর জামিন না হওয়া। এসবের মাধ্যমে প্রমাণ হয় যে, শিক্ষকের বিরুদ্ধে খেপিয়ে দেওয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

এই ঘটনায় ষড়যন্ত্রকারীদের স্বার্থ কি?

এই ঘটনার ফলে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে সন্দেহের একটা পরিবেশ তৈরি হবে। শ্রেণিকক্ষে যা পড়ানো হচ্ছে সেটা কি বাইরে বেরুচ্ছে, কোন কথা কীভাবে কে উদ্ধৃত করে কী প্রক্রিয়ায় তার প্রচার চালায়-এমন একটা অসহনীয় পরিস্থিতির তৈরি হবে। কখন যে কোথাও এরচেয়েও বড় কিছু ঘটবে, এই প্রশ্ন, এই সন্দেহ, এই ভয় কি ছড়িয়ে পড়বে সারাদেশে। হৃদয় মণ্ডলের প্রতি তার নিজের শিক্ষার্থীদের এমন আচরণে হতবাক দেশবাসী।

বিজ্ঞানের শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে কি মৌলবাদীরা জড়িত?

প্রকৃতপক্ষে শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো বিষবৃক্ষটির সাথে সাম্প্রদায়িক ধর্মান্ধ ও ধর্মব্যবসায়ীদের মদদ রয়েছে। মৌলবাদ অত্যন্ত ভয়ঙ্কর, নৃশংস। এরা ধর্ম মানে না, কিন্তু ধর্মকে ব্যবহার করে। এদের হাতিয়ার ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার, উগ্রতা। এরা মানুষের আবেগকে উস্কে দিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনার সৃষ্টি করে দেশকে রক্তাক্ত করে তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরীহ মানুষগুলো প্রায়ই বিভিন্ন কারণে আতংকে দিন কাটায়। ২১ বছর যাবত শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত একজন হিন্দু ব্যক্তি ধর্ম অবমাননা করে নিজের মহাবিপদ ডেকে আনবেন? এমন কথা রাস্তার পাগলেও বিশ্বাস করবেনা। একজন শিক্ষককে এভাবে হেনস্তা করে কারা নিজেদের সুবিধা পেতে চায়?
শ্রেনীকক্ষে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করলে শিক্ষককে উত্তর দিতে হয়। অর্থাৎ শিক্ষক মহোদয় উত্তর দিতে বাধ্য। বিজ্ঞানের একজন শিক্ষক ধর্মকে “বিশ্বাস” হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন অর্থাৎ তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, প্রতিটি ধর্মই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। এটা বিতর্কের বিষয় নয়। তিনি কি ভুল বলেছেন?

কোমলমতি শিশুদের এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডলকে বারবার ঘুরেফিরে একটি প্রশ্নই এক শিক্ষার্থী বার বার জিজ্ঞাসা করেছে। তিনিও (শিক্ষক) বারবার সরল মনে উত্তর দিয়েছেন, ‘ধর্ম ও বিজ্ঞানের ব্যাখ্যার অমিল আছে। বিজ্ঞান আমাদের শেখাচ্ছে যে, যুক্তি দিয়ে বুঝতে হবে, আর ধর্ম হল আমাদের কাছে অন্ধ বিশ্বাস।
বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষক বুঝতেই পারেননি যে, তাকে ফাঁসানোর জন্য একটি শক্তিশালী চক্র নিভৃতে কাজ করে চলেছে। তারই ছাত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞান ক্লাসে ধর্মীয় বিষয়ে প্রশ্ন করে তা আবার মোবাইল ফোনে রেকর্ড করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। এবং সবশেষে ধর্ম অবমাননার দায়ে ঠিকই তাকে ফাঁসাতে সক্ষমও হয়েছে।

ধর্ম ও বিজ্ঞান কি একই সূত্রে গাঁথা?

বিজ্ঞানী হতে গেলে কোনো ধর্মীয় বই পড়ার প্রয়োজন নেই। আবার ধার্মিক হতে গেলেও ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, বায়োলজী ইত্যাদি নিয়ে পড়াশুনা করার প্রয়োজন নেই। একসূত্রে গাঁথা থাকলে একটা না পড়ে আরেকটা হওয়া যেত না। অতএব বলা যায়, বিজ্ঞান এবং ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা।

বিজ্ঞানের সিদ্ধান্ত পরীক্ষিত ও পরিবর্তনশীল, ধর্মের সিদ্ধান্ত কাল্পনিক, বাস্তব জীবনে খুব কম কাজে লাগে।

আপাত দৃষ্টিতে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মাঝে কোন বিরোধ নেই। দুই একটি বিষয় ব্যতিত। ধর্মের কাজ ও নীতি আলাদা এবং বিজ্ঞানের কাজ ও নীতি আলাদা।
বিজ্ঞান বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাখ্যা দেয় যুক্তি প্রমাণসহ। যেমন: কি? কেন? কিভাবে? যেখানে ধর্মে প্রমাণ হাজির করা সম্ভব নয়। বিশ্বাসের উপর নির্ভর করতে হয়। ধর্ম আসে বিশ্বাস থেকে আর বিজ্ঞান আসে প্রমাণ করা থেকে। ধর্মের বিষয় যদি বলতেই হয়, তাহলে বলবো; “বিশ্বাসে মিলায় ইশ্বর, তর্কে বহুদূর।”
অন্যদিকে বিজ্ঞান বলে, “তর্কে মিলায় বস্তু বিশ্বাসে বহুদূর।”

পরিশেষে বলব, ধার্মিক ও বৈজ্ঞানিকদেরও একে অপরের পরিপূরক হওয়া উচিত।

14 thoughts on “বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় মন্ডল”

  1. আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সত্যটা তুলে ধরার জন্য।

    Reply
  2. একজন নব্য নাস্তিকের কাছ থেকে এর থেকে বেশিকিছু আশা করা যায়না

    Reply

Leave a Comment